যে প্রশ্নের উত্তর হবে বড়

· Prothom Alo

বাংলা: বিস্তৃত উত্তর–প্রশ্ন

Visit newsbetsport.bond for more information.

প্রশ্ন: নূর মোহাম্মদ শেখ কীভাবে নিজের জীবন তুচ্ছ করে মুক্তিযোদ্ধাদের জীবন বাঁচিয়েছিলেন?

উত্তর: নূর মোহাম্মদ শেখ অসীম সাহস ও বীরত্বের সঙ্গে যুদ্ধ করে মুক্তিযোদ্ধাদের বাঁচিয়েছিলেন। গোয়ালহাটি গ্রামে তিন দিক থেকে পাকিস্তানি সেনারা নূর মোহাম্মদ শেখ ও তাঁর সাথি মুক্তিযোদ্ধাদের ঘিরে ফেলে। তখন যুদ্ধরত অবস্থায় অসীম সাহসী মুক্তিযোদ্ধা নান্নু মিয়া শত্রুর গুলিতে আহত হন। এ সময় নূর মোহাম্মদ নান্নু মিয়াকে এক হাতে কাঁধে নিয়ে অন্য হাত দিয়ে গুলি চালাতে থাকেন। একপর্যায়ে মর্টারের গোলার আঘাতে তাঁর পা চূর্ণ–বিচূর্ণ হয়ে যায়। গুলি চালাতে চালাতে নিজের জীবন উৎসর্গ করেন।

প্রশ্ন: সুন্দরবন সম্পর্কে পাঁচটি বাক্য লেখো।

উত্তর: বাংলাদেশের দক্ষিণে সমুদ্রের কোল ঘেঁষে গড়ে ওঠা বিশাল বন হলো সুন্দরবন। এই বনে যেমন রয়েছে প্রচুর গাছপালা, তেমনই রয়েছে নানা প্রাণী ও জীবজন্তু, যা আমাদের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সুন্দরবনের প্রধান আকর্ষণ হলো রয়েল বেঙ্গল টাইগার।

প্রশ্ন: শিয়াল হাতিকে শাস্তি না দিলে বনের পশুপাখিদের কী হতো—ব্যাখ্যা করো।

উত্তর: শিয়াল হাতিকে শাস্তি না দিলে তাদের পরিণাম হতো ভয়াবহ। বনের কোনো প্রাণী হাতির অত্যাচার থেকে রেহাই পেত না। তখন বনের প্রত্যেকের জীবন বিপন্ন হয়ে পড়ত। সর্বোপরি, শিয়াল হাতিকে শাস্তি না দিলে বনের পশুপাখিদের অশান্তি দূর হতো না।

প্রশ্ন: ‘ফুটবল খেলোয়াড়’ কবিতাটির মূল ভাব আলোচনা করো।

উত্তর: ইমদাদ হক একজন দক্ষ খেলোয়াড়। খেলায় জয়লাভ করাই তার একমাত্র লক্ষ্য। খেলতে গিয়ে ইমদাদ হক আঘাত পেলেও তা পরোয়া করে না। এ কবিতায় মূলত একটি আদর্শকে তুলে ধরা হয়েছে। আর তা হলো, নিজের যোগ্যতার সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করলে তা সমাজ ও জাতির জন্য কল্যাণ বয়ে আনে।

প্রশ্ন: টেরাকোটা বলতে কী বোঝায়? বর্ণনা করো।

উত্তর: প্রাচীন মৃৎশিল্পের মধ্যে অন্যতম হলো টেরাকোটা। টেরাকোটা বা পোড়ামাটির এসব কাজ বাংলাদেশে শুরু হয়েছে হাজার বছর আগে। ‘টেরা’ অর্থ মাটি, আর ‘কোটা’ অর্থ পোড়ানো। পোড়ামাটির তৈরি মানুষের ব্যবহারের সব রকমের জিনিস টেরাকোটা হিসেবে পরিচিত। নকশা করা মাটির ফলক ইটের মতো পুড়িয়ে যে শিল্পকর্ম তৈরি হয়, তাকে টেরাকোটা বলে।

প্রশ্ন: ‘সব মিলে এক ছবি’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

উত্তর: ‘স্বদেশ’ কবিতায় কবি বাংলাদেশের প্রকৃতি ও মানুষের বৈচিত্র্যময় জীবনযাত্রার ছবি তুলে ধরেছেন। ‘সব মিলে এক ছবি’ বলতে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক এই সৌন্দর্যের কথাই বুঝিয়েছেন। কবিতায় একটি ছেলের বাংলাদেশের নদ–নদী, গাছপালা, পশুপাখি, পাহাড়, সবুজ মাঠঘাট ও নানা পেশার মানুষ সবকিছু ভালো লাগে। তাই সে দেশের প্রকৃতির এসব ছবি এঁকেছে মনে মনে। এ ছবি আসলে বাংলাদেশের ছবি।

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নিয়ে নতুন নির্দেশনা জারি

প্রশ্ন: বিদায় হজের ভাষণে রাসুল (সা.) আমাদের কী কী আদেশ দিয়ে গেছেন? বর্ণনা করো।

উত্তর: বিদায় হজের ভাষণে রাসুল (সা.) ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি না করতে আদেশ দিয়ে গেছেন। আল্লাহ ছাড়া কারও উপাসনা না করতে নির্দেশ দিয়েছেন। হত্যা, প্রতারণা ও অত্যাচার করা থেকে বিরত থাকতে বলেছেন। অন্যায়ভাবে অন্যের সম্পদ অপহরণ করা থেকে বিরত থাকার আদেশ দিয়েছেন। ক্রীতদাসের প্রতি নিষ্ঠুর ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন। একজনের অপরাধের জন্য অন্যকে দায়ী করতে নিষেধ করেছেন।

প্রশ্ন: ‘দুই তীরে’ কবিতায় সকাল–সন্ধ্যাবেলা নদীর তীরে কী ঘটে?

উত্তর: ‘দুই তীরে’ কবিতায় সকাল–সন্ধ্যায় অনেক ঘটনা ঘটে। সকাল–সন্ধ্যাবেলায় নদীর তীর মানুষের কোলাহলে মুখর থাকে।

প্রতিদিন সকালে ও সন্ধ্যায় নদীর ঘাটে গাঁয়ের বধূরা আসে। এ সময় যেন সেখানে বধূদের মেলা বসে। এ ছাড়া ছোট ছেলেরা নদীর জলে ভেলা ভাসিয়ে খেলা করে। এভাবে সকাল–সন্ধ্যা নদীর ঘাটে মানুষ কর্মব্যস্ত থাকে।

প্রশ্ন: লোভী কাঠুরিয়া কেন হায় হায় করতে লাগল?

উত্তর: সৎ কাঠুরিয়ার গল্প শুনে লোভী কাঠুরিয়া একদিন নদীর ধারে কাঠ কাটতে যায়। ইচ্ছা করে সে তার কুড়ালটি পানিতে ফেলে দিয়ে কান্নার অভিনয় করে। তখন জলপরী এসে তাকে একটি সোনার কুড়াল দেখিয়ে জিজ্ঞেস করে এটা তার কুড়াল কি না। লোভী কাঠুরিয়া সেটাকে নিজের কুড়াল বলে দাবি করে। তার লোভ দেখে জলপরী ডুব দিয়ে আর ওঠে না। তখন লোভী কাঠুরিয়া হায় হায় করতে লাগে।

প্রশ্ন: ‘নোলক’ কবিতায় কবি বনের কাছে কেন গিয়েছিলেন?

উত্তর: ‘নোলক’ কবিতায় কবি মায়ের নোলক খুঁজতে বের হয়েছেন। তিনি বনের কাছে গিয়েছিলেন তাঁর মায়ের সোনার নোলক ফিরে পাওয়ার আকুতি জানাতে।

মায়ের সোনার নোলক খুঁজতে প্রথমে তিনি নদীর কাছে যান। কিন্তু নদী এ বিষয়ে নিজের প্রতিবন্ধকতা ও অপারগতা প্রকাশ করে। এরপর তিনি জল ছাড়িয়ে দল হারিয়ে বনের কাছে যান। কারণ তিনি পণ করেছিলেন, যেভাবেই হোক তাঁর মায়ের গয়না না নিয়ে তিনি ঘরে ফিরবেন না।

  • মোস্তাফিজুর রহমান, শিক্ষক
    বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ, ঢাকা

Read full story at source