রাজধানীতে ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কতটা? লক্ষণ বুঝবেন কীভাবে

· Prothom Alo

দেশে ম্যালেরিয়া একটি পরিচিত রোগ। তবে এই রোগের বিস্তার সব অঞ্চলে সমান নয়। সাধারণত রাজধানী ঢাকায় ম্যালেরিয়ার প্রকোপ খুব কম। তবে এর অর্থ এই নয় যে ঢাকায় কেউ ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হন না।

ম্যালেরিয়া মূলত স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশার কামড়ে ছড়ায়। খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবানসহ পার্বত্য এলাকায় এবং কিছু সীমান্ত অঞ্চলে ম্যালেরিয়ার প্রকোপ বেশি দেখা যায়। এসব এলাকায় বনাঞ্চল, পাহাড়ি ঝরনা ও স্থির পানির আধিক্য মশার বংশবিস্তারের অনুকূল পরিবেশ। এসব ম্যালেরিয়া-প্রবণ অঞ্চল থেকে আসা অনেকের মাধ্যমে ঢাকায় সংক্রমণের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

Visit esporist.org for more information.

লক্ষণ কী কী

ম্যালেরিয়ার প্রধান লক্ষণ হলো হঠাৎ জ্বর আসা, যা সাধারণত কাঁপুনি দিয়ে শুরু হয় এবং পরে ঘাম দিয়ে কমে। এ ছাড়া মাথাব্যথা, বমি ভাব, দুর্বলতা এবং শরীর ব্যথা থাকতে পারে। গুরুতর ক্ষেত্রে রক্তস্বল্পতা, শ্বাসকষ্ট বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো জটিলতাও দেখা দিতে পারে। অনেক সময় এসব লক্ষণ সাধারণ জ্বর বা ভাইরাল সংক্রমণের সঙ্গে মিশে যায়, ফলে রোগ শনাক্তে দেরি হয়।

প্রতিরোধের উপায়

ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো মশার কামড় থেকে নিজেকে রক্ষা করা। ঘুমের সময় মশারি ব্যবহার করা, বিশেষ করে কীটনাশকযুক্ত মশারি খুব কার্যকর। বাড়ির আশপাশে পানি জমে থাকতে না দেওয়া, নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং প্রয়োজনে মশকনিধন কার্যক্রম চালানোও জরুরি। যাঁরা ম্যালেরিয়া-প্রবণ এলাকায় ভ্রমণ করেন, তাঁদের বাড়তি সতর্ক থাকা উচিত।

আক্রান্ত হলে করণীয়

যদি কারও ম্যালেরিয়ার লক্ষণ দেখা দেয়, বিশেষ করে সম্প্রতি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ভ্রমণের ইতিহাস থাকে, তাহলে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে গিয়ে পরীক্ষা করানো জরুরি। ম্যালেরিয়া শনাক্তের জন্য রক্ত পরীক্ষা করা হয় এবং দ্রুত চিকিৎসা শুরু করলে রোগ পুরোপুরি নিরাময় সম্ভব। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ গ্রহণ করা উচিত নয়।

সব শেষে বলা যায়, ঢাকায় ম্যালেরিয়ার ঝুঁকি কম হলেও সচেতনতা অত্যন্ত জরুরি। ভ্রমণ, পরিবেশ ও ব্যক্তিগত সুরক্ষার বিষয়গুলো মাথায় রাখলে এই রোগ থেকে সহজেই নিজেকে ও পরিবারকে নিরাপদ রাখা সম্ভব।

ব্যবসায়ী বাবার ছেলে আলমগীর যেভাবে নায়ক হলেন

Read full story at source