মোহামেডানের হারে জমে উঠেছে লিগ, শেষ ম্যাচে চ্যাম্পিয়ন হতে কার কী সমীকরণ

· Prothom Alo

মোহামেডানের এক হারে জমজমাট রূপ নিয়েছে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল)। লিগের দশম রাউন্ড শেষে শিরোপার সমীকরণ এখন তিন দলের সামনে। একই দিনে ৪৫ বলে সেঞ্চুরি করে লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে বাংলাদেশের দ্রুততম শতকের রেকর্ড গড়েছেন লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের হাবিবুর রহমান।

বিকেএসপিতে ঢাকা লেপার্ডসের কাছে ৫ উইকেটে হেরে শিরোপার লড়াইটা কঠিন করে তুলেছে মোহামেডান। জাতীয় দল ও ‘এ’ দলের কারণে তাওহিদ হৃদয়সহ বেশ কয়েকজন তারকাকে ছাড়া খেলতে নামা মোহামেডান প্রথমে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ২২৫ রান তোলে। মুশফিকুর রহিম করেন সর্বোচ্চ ৬৮ রান। জবাবে লেপার্ডসের ওপেনার জাওয়াদ আবরারের ৬৬ এবং মুমিনুল হকের ৯৯ রানের ইনিংসে ভর করে ৩৪.৩ ওভারেই জয় পায় লেপার্ডস।

Visit afrikasportnews.co.za for more information.

১০ ম্যাচ শেষে মোহামেডান, আবাহনী ও প্রাইম ব্যাংক—তিন দলেরই পয়েন্ট এখন সমান ১৬। তবে মুখোমুখি লড়াইয়ের সমীকরণে শেষ ম্যাচে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহামেডানকে হারালেই চ্যাম্পিয়ন হবে আবাহনী। অন্যদিকে, প্রাইম ব্যাংকের শিরোপা জিততে হলে শেষ ম্যাচে লেপার্ডসকে হারাতে হবে, পাশাপাশি মোহামেডানের জয় প্রার্থনা করতে হবে। কারণ, আবাহনী ও প্রাইম ব্যাংকের পয়েন্ট সমান হলে মুখোমুখি লড়াইয়ে এগিয়ে থাকায় চ্যাম্পিয়ন হবে আবাহনী। আর মোহামেডান ও প্রাইম ব্যাংকের পয়েন্ট সমান হলে চ্যাম্পিয়ন হবে প্রাইম ব্যাংক।

মোহামেডানের হারের দিনে গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সকে হারিয়ে নিজেদের কাজ সেরে রেখেছে আবাহনী। প্রথমে ব্যাট করে মাহিদুল ইসলামের ৬৬ রানে ভর করে ২১০ রান তোলে তারা। জবাবে শেষ উইকেটে আজিজুল হাকিম (৪১) ও মোহাম্মদ রুবেলের ৭৩ রানের জুটি আবাহনীকে কিছুটা ভয়ে ফেলেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত গাজী গ্রুপকে ১৮৪ রানে অলআউট করে ২৬ রানের জয় পায় আবাহনী। ৩ উইকেট নেন মাহফুজুর রাব্বি।

১৩ ছক্কার ইনিংসে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড হাবিবুরের

শিরোপার দৌড়ে টিকে আছে প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবও। বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্সের বিপক্ষে মাত্র ১৬০ রানে অলআউট হয়েও ১৮ রানের জয় পেয়েছে তারা। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫৮ রান করার পাশাপাশি বল হাতে ৩ উইকেট নিয়ে মূল নায়ক আবু হায়দার রনি।

এদিকে ইউল্যাব মাঠে সিটি ক্লাবের বিপক্ষে ৪৫ বলে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড ভেঙেছেন রূপগঞ্জের হাবিবুর রহমান। এর আগে সাকিব আল হাসান ও মোসাদ্দেক হোসেনের ৪৯ বলে সেঞ্চুরিটিই ছিল যৌথভাবে দ্রুততম। হাবিবুরের ৫৮ বলে ১৩০ রানের (৮ চার, ১৩ ছক্কা) ওপর ভর করে রূপগঞ্জ তোলে ৩২২ রান। জবাবে সাদিকুর রহমানের সেঞ্চুরি (১০১) সত্ত্বেও সিটি ক্লাব ২৪৮ রানে থমকে গেলে ৭৪ রানের জয় পায় রূপগঞ্জ।

দিনের অন্য ম্যাচে রূপগঞ্জ টাইগার্স ২ উইকেটে হারিয়েছে অগ্রণী ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবকে। অগ্রণী ব্যাংকের ২৬৫ রানের জবাবে মোহাম্মদ আবদুল্লাহর ৮৭ রানে জয় পায় রূপগঞ্জ টাইগার্স। এ ছাড়া লিগ বয়কট করা ব্রাদার্স ইউনিয়নের বিপক্ষে নিয়ম অনুযায়ী ওয়াকওভার পেয়েছে গুলশান ক্রিকেট ক্লাব।

Read full story at source