জার্মানিতে শিক্ষার্থী ভিসা আবেদনের খুঁটিনাটি জেনে নিন

· Prothom Alo

জার্মানিতে উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনা থাকলেও এখনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে চূড়ান্ত ভর্তি নিশ্চিত হয়নি, এমন শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে স্টুডেন্ট অ্যাপ্লিক্যান্ট ভিসা। জার্মান ভিসা-সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, এই ভিসা মূলত তাঁদের জন্য, যাঁরা বিশ্ববিদ্যালয়, স্টাডি প্রোগ্রাম বা প্রস্তুতিমূলক কোর্সে ভর্তির জন্য আবেদন করেছেন, কিন্তু এখনো চূড়ান্ত ভর্তি অনুমোদন পাননি।

Visit asg-reflektory.pl for more information.

কী এই স্টুডেন্ট অ্যাপ্লিক্যান্ট ভিসা

এই ভিসা শিক্ষার্থীদের জার্মানিতে প্রবেশ করে ভর্তি পরীক্ষা, সাক্ষাৎকার, ভাষা কোর্স বা অন্যান্য ভর্তি-সংক্রান্ত কার্যক্রম সম্পন্ন করার সুযোগ দেয়। জার্মানিতে গিয়ে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি নিশ্চিত হলে তাঁরা পরবর্তী সময়ে শিক্ষার্থী হিসেবে আবাসিক অনুমতির জন্য আবেদন করতে পারেন।

যেসব কাগজপত্র জমা দিতে হবে

ভিসা আবেদনকারীদের দুটি পূরণকৃত জাতীয় ভিসা আবেদনপত্র এবং জার্মানির নির্ধারিত মান অনুযায়ী তোলা দুটি বায়োমেট্রিক পাসপোর্ট সাইজের ছবি জমা দিতে হবে।

এ ছাড়া আবেদনকারীকে প্রমাণ দিতে হবে যে তিনি জার্মানির কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির চেষ্টা করছেন। এর মধ্যে থাকতে পারে—

– বিশ্ববিদ্যালয়ের অফার লেটার বা আবেদন গ্রহণের প্রমাণপত্র

– কোনো স্টাডি প্রোগ্রামে সংরক্ষিত আসনের (Reservation) চিঠি

– বিশ্ববিদ্যালয়ে সফলভাবে আবেদন জমা দেওয়ার প্রমাণ

– ভর্তি সিদ্ধান্তের জন্য আবেদনকারীর ব্যক্তিগত উপস্থিতি প্রয়োজন, এমন সনদ

– প্রতি সপ্তাহে অন্তত ১৮ ঘণ্টার জার্মান ভাষা কোর্সে নিবন্ধনের প্রমাণ

এ ছাড়া জার্মান সমমানের শিক্ষাগত সনদ এবং শিক্ষা কার্যক্রমের ভাষা অনুযায়ী জার্মান বা ইংরেজি ভাষাদক্ষতার প্রমাণও জমা দিতে হবে।

বিভিন্ন দেশের শরণার্থীরা জার্মানিতে প্রবেশ করছেন জার্মানির স্টুডেন্ট ভিসা পাবেন যেভাবে

আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ গুরুত্বপূর্ণ

জার্মান কর্তৃপক্ষের মতে, আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণ ভিসা আবেদনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর একটি। এ জন্য আবেদনকারীরা সর্বশেষ তিন মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট, বৃত্তির চিঠি এবং ব্লকড অ্যাকাউন্টের প্রমাণ জমা দিতে পারেন। এ ছাড়া জার্মানিতে বসবাসরত কোনো স্পনসরের আনুষ্ঠানিক দায়বদ্ধতার ঘোষণা বা অভিভাবকের আর্থিক সহায়তার ঘোষণা, সঙ্গে ছয় মাসের বেতন স্লিপ বা ব্যাংক স্টেটমেন্টও জমা দেওয়া যাবে।

আরও যেসব নথি প্রয়োজন

আবেদনের সঙ্গে আরও জমা দিতে হবে—

– জীবনবৃত্তান্ত

– পূর্ববর্তী শিক্ষাগত সনদ ও ডিগ্রি

– জার্মানিতে পুরো সময়ের জন্য বৈধ স্বাস্থ্যবিমা

– গত ১০ বছরের মধ্যে ইস্যুকৃত বৈধ পাসপোর্ট, যাতে অন্তত দুটি খালি পৃষ্ঠা থাকে এবং নির্ধারিত ফেরার তারিখের কমপক্ষে তিন মাস পর পর্যন্ত মেয়াদ থাকে

– আবাসনের প্রমাণ

– ৭৫ ইউরো ভিসা ফি পরিশোধের প্রমাণ

জার্মান কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত হতে চায় যে বিদেশি শিক্ষার্থীরা দেশটিতে অবস্থানকালে সরকারি সহায়তার ওপর নির্ভর না করে নিজেদের জীবনযাত্রার ব্যয় বহন করতে পারবেন। এ কারণে অধিকাংশ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর জন্য ব্লকড অ্যাকাউন্ট এখনো আর্থিক সামর্থ্য প্রমাণের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য উপায়গুলোর একটি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইবিএতে এসিবিএ কোর্স করার সুযোগ, জেনে নিন সব তথ্য

Read full story at source