এক বছর ধরে আলাদা থাকছেন! ভেঙেই যাচ্ছে নয় বছরের সংসার

· Prothom Alo

ভারতের আলোচিত তারকা দম্পতি আকাঙ্ক্ষা চামোলো ও গৌরব খান্নার নয় বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি ঘটতে চলেছে। রিয়েলিটি শো ‘লক আপ: সাচ ইয়া সাজা’র প্রিমিয়ার পর্বে আকাঙ্ক্ষা নিজেই তাঁদের বিচ্ছেদের খবর প্রকাশ্যে আনেন।
আকাঙ্ক্ষা জানান, তিনি ও গৌরব গত এক বছর ধরে আলাদা থাকছেন। এত দিন বিষয়টি প্রকাশ করা হয়নি। তাঁর ভাষায়, এটি ছিল দুজনের পারস্পরিক সিদ্ধান্ত। তাঁদের মধ্যে কোনো তিক্ততা নেই, এখনো কথা হয়। তবে সময়ের সঙ্গে তাঁরা বুঝতে পেরেছেন, ভবিষ্যৎ নিয়ে দুজনের ভাবনা এক নয় এবং জীবনসঙ্গী হিসেবে তাঁরা আর একে অপরের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারছেন না।

Visit casino-promo.biz for more information.

শোতে আকাঙ্ক্ষা বলেন, তাঁরা সম্পর্কটি বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলেন। এমনকি গৌরব যখন ‘বিগ বস ১৯’-এ ছিলেন, তখনো পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা চলছিল। দুই পরিবারের পরামর্শে কিছুদিন আলাদা থেকেও দেখেন, যদি সম্পর্কটা আবার আগের মতো হয়। বাইরে থেকে তাঁরা একসঙ্গে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গেছেন, একে অপরকে সমর্থনও করেছেন। কিন্তু তাঁদের অনুভূতি ছিল, তাঁরা আর স্বামী-স্ত্রীর মতো জীবন কাটাচ্ছেন না।

আকাঙ্ক্ষা চামোলো ও গৌরব খান্না। ইনস্টাগ্রাম থেকে

অন্যদিকে গৌরব এখনো প্রকাশ্যে এই বিচ্ছেদ নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। তবে ‘বিগ বস ১৯’-এ থাকাকালীন এবং এর আগে এক সাক্ষাৎকারে তিনি স্ত্রীকে নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছিলেন। বিশেষ করে সন্তান নেওয়ার বিষয়ে দুজনের ভিন্নমত থাকা নিয়ে তিনি বলেছিলেন, তিনি সন্তান চাইতেন, কিন্তু আকাঙ্ক্ষা চাইতেন না। তবু তিনি স্ত্রীকে সম্মান করতেন এবং বলেছিলেন, একজন স্বামী হিসেবে স্ত্রীর সিদ্ধান্তকে প্রাধান্য দেওয়াই তাঁর দায়িত্ব।

৬১ বছর বয়সে আমিরের প্রেম–বিয়ে, কে এই গৌরী

গৌরব তখন আরও বলেছিলেন, তাঁদের সম্পর্ক পারস্পরিক বোঝাপড়া ও পরিণত মানসিকতার ওপর দাঁড়িয়ে আছে। যদি বিষয়টি নিয়ে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার কথা হতো, তাহলে অনেক আগেই তা হয়ে যেত।

এদিকে আকাঙ্ক্ষার বিচ্ছেদের ঘোষণার পর গৌরবের প্রতিক্রিয়া জানতে যোগাযোগ করা হলেও তিনি এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেননি।

কাজের ক্ষেত্রে গৌরবকে শিগগিরই দেখা যাবে ‘খতরো কে খিলাড়ি ১৫’–তে। অন্যদিকে আকাঙ্ক্ষা বর্তমানে ‘লক আপ: সাচ ইয়া সাজা’-এর প্রতিযোগী হিসেবে অংশ নিচ্ছেন।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস অবলম্বনে

আকাঙ্ক্ষা চামোলো ও গৌরব খান্না। ইনস্টাগ্রাম থেকে

Read full story at source