সুইসদের বিপক্ষে মেসি–আলভারেজরা কেমন খেললেন

· Prothom Alo

সুইজারল্যান্ডকে কোয়ার্টার ফাইনালে ৩–১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে পৌঁছে গেছে আর্জেন্টিনা। দলের হয়ে একটি করে গোল করেছেন আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার, হুলিয়ান আলভারেজ এবং লাওতারো মার্তিনেজ। একটি গোল করান লিওনেল মেসি।

বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের এই জয়ের পর আসুন জেনে নিই, আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়রা কে কেমন পারফর্ম করলেন। এই রেটিং করেছে ফুটবলবিষয়ক ওয়েবসাইট গোল ডটকম।

Visit asg-reflektory.pl for more information.

এমিলিয়ানো মার্তিনেজ—৭/১০

সুইজারল্যান্ডের সমতাসূচক গোলে তাঁর তেমন কিছুই করার ছিল না। তবে পুরো ম্যাচে চারটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে আর্জেন্টিনাকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন।

নিকোলাস তালিয়াফিকো—৬/১০

রক্ষণ সামলানোর চেয়ে আক্রমণে বেশি মনোযোগী ছিলেন; সেখানেও খুব বেশি প্রভাব ফেলতে পারেননি। অবশ্য কয়েকবার ফাউলের শিকার হয়ে আর্জেন্টিনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ সেট-পিস আদায় করেন।

গোলের পর অ্যালিস্টারের উচ্ছ্বাস

ক্রিস্তিয়ান রোমেরো—৭/১০

আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য খেলোয়াড়দের একজন। আজও দারুণ কিছু অবদান রেখেছেন। ১০৬ মিনিটে বদলি হওয়ার আগে পাঁচটি বল পুনরুদ্ধার এবং দুটি ইন্টারসেপশন করেন।

লিসান্দ্রো মার্তিনেজ—৮/১০

রক্ষণ ও আক্রমণ—দুই দিকেই ছিলেন বেশ কার্যকর। তিনটি সফল ড্রিবল, ফাইনাল থার্ডে ৯টি পাস এবং তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ক্লিয়ারেন্স করে নজর কেড়েছেন।

মেসির সঙ্গে প্রথম ‘ডেট’ ইংল্যান্ডের

নাহুয়েল মলিনা—৬/১০

ম্যাচের ডান প্রান্তজুড়ে নিরলস পরিশ্রম করেছেন মলিনা। ৮৫ মিনিট মাঠে থেকে ২টি রিকভারি এবং দুটি বল ক্লিয়ার করেন।

আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার—৮/১০

উচ্চতায় মাত্র ৫ ফুট ৯ ইঞ্চি হলেও দীর্ঘকায় সুইস ডিফেন্ডারদের হারিয়ে হেডে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন। স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি আক্রমণাত্মক ছিলেন। দুটি সহজ সুযোগ নষ্ট করলেও ম্যাচজুড়ে প্রতিপক্ষের জন্য বড় হুমকি হয়ে ছিলেন।

লিয়ান্দ্রো পারেদেস—৭/১০

মাঠের প্রতিটি অংশে তাঁর উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। পাসিং ছিল অত্যন্ত নিখুঁত এবং মাঝমাঠে ছন্দ ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ১১০ মিনিট মাঠে থেকে বল টাচ করেছেন ১৩১ বার। চারবার বল রিকভারিতে রক্ষণেও অবদান রেখেছেন।

রদ্রিগো দি পল —৬/১০

তেমন একটা ভালো পারফরম্যান্স ছিল না। মিডফিল্ডে আজ খুব একটা প্রভাব ফেলতে পারেননি। ৮৫ মিনিট খেলে মাত্র ৪৮ বার বল স্পর্শ করেন এবং প্রতিপক্ষের গোলমুখে পাস দুটি।

প্রতিপক্ষের আক্রমণ নষ্টে বেশ কার্যকর ছিলেন মলিনা

এনজো ফার্নান্দেজ—৭/১০

পাসিং ছিল অত্যন্ত নিখুঁত। একটি গোলের সুযোগ তৈরি করার পাশাপাশি দুটি দূরপাল্লার পাসেও প্রতিপক্ষের রক্ষণে ভয় ধরিয়েছেন।

লিওনেল মেসি—৮/১০

গোল না পেলেও তাঁর বুদ্ধিদীপ্ত কর্নার থেকেই ম্যাক অ্যালিস্টার প্রথম গোলটি করেন। পুরো ১২০ মিনিটে সবচেয়ে বেশি ছয়টি সুযোগ তৈরি করেছেন। প্রতিপক্ষের গোলমুখে নিয়েছেন চারটি শট, পাশাপাশি তিনটি সফল ড্রিবল করেছেন।

হুলিয়ান আলভারেজ—৮/১০

অবশেষে অপেক্ষার অবসান হলো তাঁর! ম্যাচের বেশির ভাগ সময় অচেনা মনে হলেও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে দুর্দান্ত এক গোল করেছেন। এটি চলতি বিশ্বকাপে তাঁর প্রথম গোল এবং ক্যারিয়ারের পঞ্চম বিশ্বকাপ গোল।

লাওতারো মার্তিনেজ—৭.৫/১০

ম্যাচের শেষ দিকে মাত্র ৩৫ মিনিট মাঠে ছিলেন, তাতেই চমৎকার একটি গোল আদায় করে নেন। এ ছাড়া দলের জন্য আরও দুটি সুযোগ তৈরি করেছেন তিনি।

সেমিফাইনালে কে কার মুখোমুখি, খেলা কখন

Read full story at source