আট নারী উদ্যোক্তার পসরা নিয়ে শেষ হলো ‘টাপুর টুপুর উৎসব ১৪৩৩’
· Prothom Alo

দেশীয় পণ্য নিয়ে আট সৃজনশীল নারী উদ্যোক্তার অংশগ্রহণে আয়োজিত হলো দুই দিনের ‘টাপুর টুপুর উৎসব ১৪৩৩’
দেশীয় পোশাক, হাতে তৈরি গয়না, কারুশিল্প ও অর্গানিক খাবারের পসরা নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে দুই দিনের ‘টাপুর টুপুর উৎসব ১৪৩৩’। ‘হার সানশাইন’-এর আয়োজনে ৮ ও ৯ আগস্ট ঢাকার লালমাটিয়ায় অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে অংশ নেন আটজন সৃজনশীল নারী উদ্যোক্তা। দুই দিনে তিন শতাধিক দর্শনার্থীর উপস্থিতিতে জমে ওঠে আয়োজন।
Visit tr-sport.click for more information.
ছোট পরিসরে আয়োজিত হলেও ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। পোশাক, হাতে তৈরি গয়না, প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি নানা সামগ্রী আর খাবার ছিল উদ্যোক্তাদের স্টলে।
৮ আগস্ট উৎসবের উদ্বোধন করেন অভিনেতা ও চলচ্চিত্র নির্মাতা তৌকীর আহমেদ। প্রধান অতিথি ছিলেন নারী উদ্যোক্তা শান্তা কবির। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী ও ইউনিমার্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা গাজী মাহফুজুর রহমান।
উৎসবে অংশ নেওয়া আটটি উদ্যোগ হলো—এমিথ, কেশজ—এসো কেশের কথা বলি, যাদুর হাট, পেটাল গহনা, অপরাজিতা, পাতা-পুঁতি, মিথ আর্ট অ্যান্ড ক্রাফট ও কারুনগরী।
আয়োজকদের মতে, কাজের ক্ষেত্র আলাদা হলেও আট উদ্যোক্তার লক্ষ্য এক—বাংলাদেশের নিজস্ব পণ্য, সংস্কৃতি, কারুশিল্প ও সৃজনশীলতাকে আরও বড় পরিসরে তুলে ধরা। ‘হার সানশাইন’কে তাঁরা শুধু পণ্য বিক্রির একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে নয়, বরং দেশীয় উদ্যোক্তাদের একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার একটি জায়গা হিসেবে গড়ে তুলতে চান।
বাংলাদেশের মাটি, মানুষের হাতে তৈরি কাজ, প্রাকৃতিক উপাদান ও ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা গল্পগুলোকে দেশের সীমানা পেরিয়ে বিশ্বের সামনে তুলে ধরার প্রত্যয়ও জানান আয়োজকেরা। দেশীয় ব্র্যান্ডকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি স্থানীয় কারিগরদের কাজের মূল্যায়ন এবং বাংলাদেশের পণ্যকে আন্তর্জাতিক বাজারে পরিচিত করাই তাঁদের লক্ষ্য।
ছবি: আয়োজক