‘উৎসব’, ‘বনলতা’র সাফল্যের পরও কেন বিরতি নিচ্ছেন তানিম নূর
· Prothom Alo
২০২৫ সালে ‘উৎসব’ আর চলতি বছর ‘বনলতা এক্সপ্রেস’। পরপর দুই বছর ঈদে সফল দুটি সিনেমা উপহার দিয়েছেন তানিম নূর। এই সাফল্যের পর স্বাভাবিকভাবেই তাঁর পরবর্তী সিনেমা নিয়ে দর্শকের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। তবে এই পরিচালক জানালেন, আগামী দুই বছর ঈদে হয়তো তাঁর কোনো কাজ আসবে না।
Visit esporist.org for more information.
তানিম নূর এর আগে প্রথম আলোকে জানিয়েছিলেন, বছরে একটি করে সিনেমা অবশ্যই বানাবেন। সুযোগ থাকলে দুটি করে সিনেমাও বানাতে পারেন। হঠাৎ করে সেই সফল পরিচালক কেন বিরতি নিচ্ছেন? তিনি জানান, মূল কারণ, পছন্দের গল্প খুঁজে না পাওয়া। শুধু সিনেমা বানানোর জন্য সিনেমা তিনি বানাতে চান না। ভালো গল্প না পাওয়া পর্যন্ত কোনো কাজ করবেন না।
তানিম প্রথম আলোকে বলেন, ‘পরিকল্পনা করে, সময় নিয়েই সিনেমা বানাতে চাই। যে কারণে ভালো গল্পের দরকার। আমার সিনেমা নিয়ে দর্শকদের একটা আগ্রহ তৈরি হয়েছে। সেই জায়গাটা ধরে রাখতে চাই। মনমতো গল্প, পরিকল্পনা না হলে কাজ করব। না। চলতি আগস্ট পর্যন্ত পছন্দের কোনো গল্প নির্বাচন করতে পারিনি। এখন আর সম্ভব নয় সিনেমা বানিয়ে আগামী বছর ঈদে মুক্তি দেওয়া। এমনও হতে পারে, আগামী দুই বছর আমার কোনো সিনেমা আসবে না।’
তানিম নূরতবে নির্মাণ থেকে দূরে থাকলেও নতুন পরিচয়ে আসছেন তানিম নূর। এই সময়টায় পুরোপুরি প্রযোজক হিসেবে কাজ করতে চান। জানালেন, নুহাশ হুমায়ূনের মুভিং বাংলাদেশ সিনেমার সঙ্গে প্রযোজক হিসেবে যুক্ত হয়েছেন। সিনেমাটির সঙ্গে যুক্ত হওয়া প্রসঙ্গে বলেন, ‘আগে থেকেই প্রযোজনা করার কথা ভাবছিলাম। এর মধ্য দিয়ে তরুণদের পাশে থাকতে পারলে ভালো লাগবে। সেটাই করছি। নুহাশ এখন ভালো কাজ করছে। নুহাশের সিনেমার চিত্রনাট্য পড়ার পরে আমার কাছে অসাধারণ লাগে।
সিনেমাটির চিত্রনাট্য ভালো লাগায় প্রযোজনার সঙ্গে যুক্ত হয়েছি। যদিও আন্তর্জাতিক আরও প্রযোজক সিনেমার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।’ তিনি জানান, শুধু নুহাশই নন, তরুণ বেশ কয়েকজন নিমার্তার সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। এর মধ্যে যে প্রকল্পগুলো ভালো লাগবে, সেগুলোর সঙ্গেই যুক্ত হতে চান।
হল থেকে ৮ কোটি টাকার বেশি ওঠানো কঠিনপ্রযোজনার পাশাপাশি এগিয়ে নিচ্ছেন বড় বাজেটের একটি চিত্রনাট্য। যে সিনেমাটি নির্মাণ করতে দরকার কয়েক কোটি টাকা। তানিম বলেন,‘আমার মাথায় বড় বাজেটের একটি গল্পের সিনেমার পরিকল্পনা রয়েছে। সেটা কত দূর এগিয়ে নিতে পারব জানি না। অনেক টাকা দরকার। এত বড় লগ্নিকারক তো পাওয়া কঠিন। যদি সেই সুযোগ পাই তাহলে সিনেমাটি বানাব। এখানে দেশের অনেক গুণী অভিনয়শিল্পীর প্রয়োজন রয়েছে। একই সঙ্গে চরিত্রের সংখ্যা যেমন বেশি, তেমনি প্রেক্ষাপটও বিস্তৃত।’
জানিয়ে রাখলেন কাঙ্ক্ষিত প্রযোজক ও অর্থায়ন পাওয়া গেলে ২০২৮ বা পরবর্তী কোনো সময়কে টার্গেট করে সিনেমাটি বানাবেন।