মালয়েশিয়ান ক্লাবের কাছেও হারল রাজশাহী

· Prothom Alo

এএফসি উইমেন্স চ্যাম্পিয়নস লিগে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে হারের স্বাদ পেল রাজশাহী স্টারস। মালয়েশিয়ার সাবাহ এফসির কাছে আজ ২–১ গোলে হারায় দ্বিতীয় রাউন্ডে ওঠার সম্ভাবনাও শেষ হয়ে গেছে গোলাম রব্বানীর দলের।

Visit somethingsdifferent.biz for more information.

২–০ গোলে পিছিয়ে পড়া রাজশাহী ৮৭ মিনিটে একটি গোল শোধ করে। ডি-বক্সের বাইরে থেকে দারুণ এক লং শটে গোল করেন মোসাম্মৎ সুলতানা। তবে তাঁর সেই গোল শুধু হারের ব্যবধানই কমাতে পেরেছে, ম্যাচের ফল বদলাতে পারেনি।

তহুরা, মারিয়া, মনিকারা কি তবে নিজেদের চেনা খেলাটাই ভুলে গেলেন? এএফসি উইমেন্স চ্যাম্পিয়নস লিগে রাজশাহী স্টারসের হয়ে তাঁদের প্রথম দুই ম্যাচের পারফরম্যান্স দেখে এমন প্রশ্ন উঠতেই পারে। জাতীয় দলের ১৬ খেলোয়াড় রাজশাহীর স্কোয়াডে থাকলেও মাঠে তাদের সেই পরিচিত ছন্দে দেখা যাচ্ছে না।

লিকাস স্টেডিয়ামে আজ প্রথমার্ধে রাজশাহীর ফুটবলে ছিল না তেমন কোনো ধার। পাসিংয়ে ভুল ছিল, আক্রমণেও ছিল না পরিকল্পনার ছাপ। দু-একবার সাবাহর গোলমুখে পৌঁছালেও রক্ষণ ভাঙতে পারেনি।

বাংলাদেশের প্রথম ক্লাব হিসেবে এএফসি উইমেন্স চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলছে রাজশাহী স্টারস

অন্যদিকে সাবাহ একের পর এক আক্রমণে ব্যস্ত রেখেছে রাজশাহীর রক্ষণকে। প্রথম ৪৫ মিনিটে বাংলাদেশের ক্লাবটির গোলমুখে ছয়টি শট নেয় তারা, যার তিনটি ছিল লক্ষ্যে। ৪২ মিনিটে গোছানো এক আক্রমণ থেকে প্রথম গোল পায় সাবাহ। দুই খেলোয়াড়কে ড্রিবল করে বল জালে পাঠান এঞ্জি হেকিমা।

দ্বিতীয়ার্ধে গোল শোধের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে রাজশাহী স্টারস; কিন্তু সাবাহ নিজেদের রক্ষণ আরও শক্ত করে ফেলে। ৫৫ মিনিটে মারিয়া মান্দার দূরপাল্লার শট সহজেই গ্লাভসে জমান সাবাহ গোলকিপার আসমা। ৬৮ মিনিটে তহুরার উদ্দেশে মনিকা চাকমার বাড়ানো লম্বা পাস লক্ষ্যে পৌঁছায়নি।

সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে রাজশাহীর আক্রমণের ধারও কমতে থাকে। সেই সুযোগেই ৮০ মিনিটে দ্বিতীয় গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয় সাবাহ। বিমলা বিকে ও আফঈদা খন্দকারকে কাটিয়ে বুদ্ধিদীপ্ত শট নেন সাবাহর ফরোয়ার্ড এঞ্জি হেকিমা। শটে তেমন জোর ছিল না; কিন্তু রাজশাহীর গোলকিপার রুপনা চাকমা বলটি আটকাতেই পারেননি। পরে সুলতানার গোল রাজশাহীকে কিছুটা স্বস্তি দিলেও হার এড়ানো সম্ভব হয়নি।

নিজেদের প্রথম ম্যাচেও ইস্ট বেঙ্গলের কাছে ৪–০ গোলে হেরেছিল রাজশাহী। অন্যদিকে সাবাহ নিজেদের প্রথম ম্যাচে গুয়ামের রোভার্স এফসিকে ১৩–০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল ২৩ আগস্ট একই মাঠে রোভার্স এফসির বিপক্ষে নিজেদের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচ খেলবে রাজশাহী।

এএফসি উইমেন্স চ্যাম্পিয়নস লিগের প্রথম দুই আসরে বাংলাদেশের কোনো ক্লাব অংশ নেয়নি। এবার তৃতীয় আসরে বাংলাদেশ নারী ফুটবল লিগের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে প্রথমবারের মতো এশিয়ার ক্লাব ফুটবলের সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতায় খেলছে রাজশাহী।

Read full story at source