সামরিক সম্পর্ক জোরদারে একমত মিয়ানমার ও ভিয়েতনাম

· Prothom Alo

মিয়ানমার ও ভিয়েতনাম প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়াতে সম্মত হয়েছে। আজ শনিবার হ্যানয়ে ভিয়েতনামের শীর্ষ নেতা তো লামের সঙ্গে মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট মিন অং হ্লাইংয়ের বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে এ খাতকে অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হিসেবে গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ভিয়েতনাম সরকারের এক বিবৃতিতে বলা হয়, দুই নেতা সামরিক প্রশিক্ষণ, তরুণ কর্মকর্তাদের মধ্যে মতবিনিময়, তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় সহযোগিতা বাড়াতে সম্মত হয়েছেন। একই সঙ্গে তাঁরা অপরাধ দমনে তথ্য আদান-প্রদান ও সমন্বয় বাড়ানোর বিষয়েও একমত হয়েছেন।

Visit moryak.biz for more information.

বৈঠকে তো লাম বলেছেন, মিয়ানমারের সঙ্গে ‘জাতীয় উন্নয়ন, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং টেকসই প্রবৃদ্ধি অর্জনের অভিজ্ঞতা বিনিময় করতে ভিয়েতনাম প্রস্তুত রয়েছে।’

কোনো ব্যক্তি বা সংস্থাকে একে অপরের বিরুদ্ধে নিজেদের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে না দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও পুনর্ব্যক্ত করেছে উভয় পক্ষ।

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ভিয়েতনামে মিন অং হ্লাইংয়ের প্রথম সরকারি সফরকালে এসব আলোচনা হলো।

উভয় পক্ষ জানিয়েছে, তারা শীর্ষ পর্যায়ের আরও সফরের মাধ্যমে রাজনৈতিক আস্থা জোরদার করবে। পাশাপাশি বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার ব্যবস্থাগুলোকে আরও ভালোভাবে কাজে লাগাবে।

ভিয়েতনাম ও মিয়ানমার তাদের অর্থনীতি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক সম্প্রসারণে সম্মত হয়েছে। এর পাশাপাশি তারা উচ্চ প্রযুক্তির কৃষি, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, টেলিযোগাযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি, ডিজিটাল রূপান্তর, জ্বালানি ও পরিবহন অবকাঠামো খাতে নতুন নতুন সুযোগ কাজে লাগানোর বিষয়ে একমত হয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, আসিয়ান এবং মেকং উপ-আঞ্চলিক কাঠামোর মধ্যে আরও নিবিড় সমন্বয় বজায় রাখার অঙ্গীকার করেছেন দুই নেতা। পাশাপাশি দক্ষিণ চীন সাগরে শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং স্বাধীনভাবে জাহাজ ও উড়োজাহাজ চলাচলের অধিকারের প্রতিও তাঁরা সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

এর আগে গতকাল শুক্রবার মিন অং হ্লাইং উত্তর ভিয়েতনামে বৈদ্যুতিক গাড়ি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ভিনফাস্ট ও টেলিযোগাযোগ গ্রুপ ভিয়েটেলের একটি কারখানা পরিদর্শন করেন। এর মধ্য দিয়ে প্রযুক্তি, টেলিযোগাযোগ এবং শিল্প উন্নয়নে ভিয়েতনামের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে মিয়ানমারের আগ্রহের বিষয়টিই ফুটে উঠেছে।

Read full story at source