বেহেশতের লোভ দেখাব না, উন্নয়ন করেই ভোট চাইতে আসব: মীর শাহে আলম
· Prothom Alo

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, ‘লংমার্চ করে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সমস্যার সমাধান করতে পারলে বিএনপিই সবচেয়ে বড় লংমার্চ করত। কিন্তু বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সমস্যা বর্তমান সরকারের সৃষ্টি নয়। আগের সরকারের সময়কার বিভিন্ন জটিলতা উত্তরাধিকার সূত্রে বর্তমান সরকার পেয়েছে। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসেছে মাত্র সাত মাস হয়েছে। এই সময়ে সরকার যতটুকু পেরেছে, করার চেষ্টা করেছে’
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মধ্যে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫১০ পরিবারকে জেলা পরিষদের উদ্যোগে ঘর নির্মাণ ও পুনর্বাসনের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এ জন্য পরিবারপ্রতি ৩০ হাজার টাকা করে মোট ১ কোটি ৫৩ লাখ টাকা দেওয়ার কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।
Visit amunra-opinie.pl for more information.
অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, ‘যেখানে ব্যর্থ হয়েছি, আমরা দুঃখ প্রকাশ করেছি, ক্ষমা চেয়েছি। কারণ, জনগণের সঙ্গে আমাদের আত্মার সম্পর্ক। বিদ্যুৎ ও গ্যাস পরিস্থিতির পরিবর্তনে সরকার স্বল্পমেয়াদি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি সময় নিয়ে কাজ করছে। বিদ্যুৎ ও গ্যাস সমস্যার সমাধান করে পাঁচ বছর পর জনগণের কাছে আবারও ভোট চাইতে যাব।’
মীর শাহে আলম আরও বলেন, ‘আমরা আপনাদের বেহেশতের লোভ দেখাব না। আমরা বলব বিদ্যুৎ দিয়েছি, আমরা বলব গ্যাস দিয়েছি, আমরা বলব রাস্তা করেছি, ব্রিজ করেছি, শিক্ষাব্যবস্থার উন্নতি করেছি, খেলাধুলার ব্যবস্থার উন্নতি করেছি—এসব বলেই আপনাদের কাছে যাব।’
জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে একটি রাজনৈতিক দল আছে, যারা ধর্মের ব্যবহার করে। তারা এ অঞ্চলেও বেহেশতে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে ভোট চেয়েছিল।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০০১ সালে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া জামায়াতের দুই নেতাকে মন্ত্রী করেছিলেন। ওই সময় জামায়াতের নেতাদের ‘রাজাকারের’ পরিচয় থেকে বের করে আনার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে জামায়াত সেই বিষয়টি ভুলে গেছে।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য এনামুল হক, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান শামীম, জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা, পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম, চট্টগ্রাম ওয়াসার চেয়ারম্যান ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. ইদ্রিস মিয়া, দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্যসচিব লায়ন হেলাল উদ্দিন ও বিএনপি নেতা মিশকাতুল আলম চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।