৩ কোটি বর্গফুট নির্মাণ করেছে র‍্যাংগস

· Prothom Alo

১৯৯৬ সালে র্যানকন গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে র্যাংগস প্রপার্টিজ। গ্রুপটির প্রয়াত প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান আবদুর রউফ চৌধুরীর গড়া ব্যবসায়িক ঐতিহ্যকে সঙ্গী করে তিন দশকে প্রতিষ্ঠানটি ৩০০টির বেশি প্রকল্প হস্তান্তর করেছে।

Visit asg-reflektory.pl for more information.

৩ কোটি বর্গফুটের বেশি আয়তন নির্মাণের মধ্য দিয়ে এ পর্যন্ত ৩ হাজার ৭৫০টির বেশি পরিবার ও গ্রাহকের ‘আস্থা’ অর্জনের কথা বলছেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা। এটাকেই র্যাংগসের ‘সবচেয়ে বড় সাফল্য’ হিসেবে দেখছেন তাঁরা।

প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য, তাদের লক্ষ্য শুধু ইট-পাথরের বহুতল ভবন গড়া নয়; নান্দনিক স্থাপত্য, আধুনিক জীবনধারা ও প্রকৃতির মেলবন্ধনে নিরাপদ ও ভবিষ্যৎ-বান্ধব আবাসন গড়ে তোলাই লক্ষ্য। এ পথচলায় গ্রুপের আন্তর্জাতিক মানের ওয়ার্কিং পার্টনার, আর্থিক স্থিতিশীলতা ও অভিজ্ঞ কারিগরি দলের সহায়তা পেয়েছে তারা। ইনস্পেস আর্কিটেক্টস, র্যানকন ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনসালট্যান্টস, র্যানকন ইনফ্রাস্ট্রাকচারস অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এবং র্যানকন প্রপার্টি ম্যানেজমেন্ট টিম যৌথভাবে কাজ করে। নকশা থেকে নির্মাণ, এমনকি হস্তান্তরের পর ভবন ব্যবস্থাপনা পর্যন্ত পুরো ধাপ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে থাকায় প্রতিটি প্রকল্পের মান বজায় থাকে বলে তুলে ধরেছে প্রতিষ্ঠানটি।

নির্মাণের প্রতিটি ধাপে কোয়ালিটি অ্যাসিওরেন্স ও কোয়ালিটি কন্ট্রোলের মানদণ্ড মানা হয়। এর জন্য প্রতিটি সাইট পরিচালনা করে থাকে প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব প্রকৌশল দল। তারা ভবনগুলো রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) অনুমোদন সাপেক্ষে ভবন নকশা, নির্মাণ, উপকরণ এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রণীত বাংলাদেশ জাতীয় বিল্ডিং কোড (বিএনবিসি) মেনে নির্মাণ করে।

ভবনগুলোতে অগ্নিনিরাপত্তায় থাকে স্বয়ংক্রিয় স্প্রিংকলার, সব তলায় ধোঁয়া ও তাপ শনাক্তকারী অ্যালার্ম এবং জরুরি নির্গমন সিঁড়ি। হস্তান্তরের পর লিফট, জেনারেটর, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতার দায়িত্ব নেয় প্রপার্টি ম্যানেজমেন্ট টিম।

পরিবেশের ক্ষেত্রেও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আবাসিক ও বাণিজ্যিক প্রকল্প মিলিয়ে ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৫৫২ বর্গফুটের বেশি সবুজায়ন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। আছে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, সৌরবিদ্যুৎ, শক্তিসাশ্রয়ী কাচের দেয়াল, রুফটপ গার্ডেন ও ভার্টিক্যাল গ্রিনারি। 

চলমান প্রকল্পের মধ্যে আছে গুলশানের আর কে স্কয়ার ও বনানীর দ্য স্যাংচুয়ারি। উত্তরার দিয়াবাড়িতে প্রায় ৫০ কাঠা জমিতে আসছে বাণিজ্যিক হাব ‘টার্মিনাল ডি’, যেখানে ২৩০ থেকে ৭ হাজার ২০০ বর্গফুটের স্পেস, সিনেপ্লেক্স, রিটেইল প্যাভিলিয়ন ও গেমিং জোন থাকবে।

চলমান ও অনুমোদন প্রক্রিয়াধীন মিলিয়ে বর্তমানে ৩০টি প্রকল্পে কাজ করছে র্যাংগস। গুলশান, বনানী, ধানমন্ডি, বারিধারা, বসুন্ধরা, উত্তরা, লালমাটিয়া ও তেজগাঁওয়ে রয়েছে তাদের প্রকল্প। প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য, আধুনিকতা ও প্রকৃতি প্রতিপক্ষ নয়, বরং একে অপরের পরিপূরক।

Read full story at source