ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড থেকে শ্রমিকদের অবরোধ প্রত্যাহার, যান চলাচল শুরু
· Prothom Alo

প্রায় চার ঘণ্টা অবরোধের পর নারায়ণগঞ্জের ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড ছেড়েছেন পোশাকশ্রমিকেরা। অবরোধ প্রত্যাহারের পর শুরু হয়েছে যানবাহন চলাচল।
Visit extract-html.com for more information.
আজ সোমবার বিকেল চারটার দিকে পুলিশ শ্রমিকদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দিলে যানবাহন চলাচল শুরু হয়। এর আগে দুপুর ১২টা থেকে নিম্নতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণসহ পাঁচ দফা দাবিতে শিবু মার্কেট এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা। তাঁরা সড়কে অগ্নিসংযোগও করেন।
পোশাকশ্রমিকদের ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড অবরোধশ্রমিকদের অবরোধের কারণে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সড়কের দুই পাশে আটকে পড়ে বিভিন্ন ধরনের অসংখ্য যানবাহন। দীর্ঘ সময় সড়ক অবরোধ থাকায় হাজার হাজার যাত্রীকে ভোগান্তি পোহাতে হয়। যাত্রীদের হেঁটে গন্তব্যে যেতে হয়েছে।
শ্রমিক নেতৃবৃন্দ এলেও তাঁদেরকে গুরুত্ব দেননি আন্দোলনরত শ্রমিকেরা। তাঁদেরকে ‘ভুয়া ভুয়া’ বলে স্লোগান দিলে তাঁরা চলে যেতে বাধ্য হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হলেও তাঁরা বল প্রয়োগ করেননি।
পরে বিকেল চারটার দিকে পুলিশ শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে এবং তাঁদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দেন। শ্রমিকেরা অবরোধ তুলে নিলে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করে। এ সময় বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও বিজিবির সদস্যরা যানবাহন চলাচলে কাজ শুরু করেন।
পরে জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির ও পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান ঘটনাস্থলে এসে শ্রমিকদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অপরাধ ও অপারেশন তারেক আল মেহেদী প্রথম আলোকে বলেন, কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শ্রমিকদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সড়কে যানবাহন চলাচল শুরু হয়েছে।
বিক্ষোভকারী শ্রমিকদের পাঁচ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে, গার্মেন্টস শ্রমিকদের নিম্নতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা ঘোষণা, সব পোশাক কারখানায় রেশনিং ব্যবস্থা চালু এবং ট্রেড ইউনিয়নের অধিকার বাস্তবায়ন।
এ ছাড়া শ্রমিক আমজাদ হোসেন কামালসহ সব শ্রমিক হত্যার বিচারে বিচার বিভাগীয় কমিশন গঠন, বিনা কারণে শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধ এবং সর্বস্তরে শ্রম আইন পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়নের দাবি জানান আন্দোলনরত শ্রমিকেরা।