ইসরায়েল সেনা প্রত্যাহারে রাজি না হওয়ায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর

· Prothom Alo

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় লেবানন ও ইসরায়েল সরকারের সম্মত হওয়া যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে হিজবুল্লাহ। এদিকে বৃহস্পতিবারও লেবাননের দক্ষিণে ইসরায়েল হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েল জানিয়েছে, তারা সেখান থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে না।

Visit newsbetsport.bond for more information.

গতকাল বুধবার যুক্তরাষ্ট্র ঘোষণা করে লেবানন ও ইসরায়েল একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকরে সম্মত হয়েছে। তবে শর্ত হলো ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহকে হামলা বন্ধ করতে হবে এবং সীমান্তসংলগ্ন লেবাননের দক্ষিণাঞ্চল থেকে তাদের যোদ্ধাদের সরিয়ে নিতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রে লেবানন ও ইসরায়েল সরকারের প্রতিনিধিদের যুদ্ধবিরতি আলোচনাকে ‘লজ্জাজনক’ বলে অভিহিত করেছেন হিজবুল্লাহ প্রধান নাঈম কাসেম। ওয়াশিংটনের এই ঘোষণাকে প্রত্যাখ্যান করে এক লিখিত বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘এটি লেবাননের জনগণের একাংশকে ধ্বংস এবং বাকিদের দাস বানানোর একটি পথনকশা।...যত দিন দখলদারি থাকবে, তত দিন প্রতিরোধ চলবে।’

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল একযোগে ইরানে হামলা চালায়। জবাবে ইরানও ইসরায়েলসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা শুরু করে। ২ মার্চ হিজবুল্লাহও ইসরায়েলে হামলা শুরু করে। এরপর যুক্তরাষ্ট্র এপ্রিল থেকে লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে বেশ কয়েকটি যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে। কিন্তু তা সত্ত্বেও হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যে লড়াই অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তির অংশ হিসেবে লেবাননে ইসরায়েলি হামলা বন্ধের দাবি জানিয়েছে ইরান। চুক্তি নিয়ে চলমান আলোচনায় হিজবুল্লাহ–ইসরায়েল লড়াই এখন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

হিজবুল্লাহ প্রধান নাঈম কাসেম বলেন, যুদ্ধবিরতিতে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলকেও অন্তর্ভুক্ত করতে হবে, যেখানে ইসরায়েল একটি তথাকথিত বাফার জোন বা নিরাপত্তা অঞ্চল গড়ে তুলেছে।

হিজবুল্লাহ প্রধান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘লেবাননের গ্রাম অনিরাপদ থাকলে, বোমা হামলা হলে, ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হলে এবং আমাদের জনগণকে হত্যা করা হলে ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলের শহরগুলোও নিরাপদ থাকবে না।’

ইরানের রেভোল্যুশনারি গার্ডসের কুদস ফোর্স ১৯৮২ সালে হিজবুল্লাহ প্রতিষ্ঠাতা করে। এই কুদস ফোর্সের কমান্ডার জানিয়েছেন, প্রতিরোধের সর্বনিম্ন দাবি হলো ইসরায়েলের সেনাদের যুদ্ধ শুরুর (২৮ ফেব্রুয়ারি) আগের অবস্থানে ফিরে যেতে হবে।

ইসরায়েল-লেবানন শর্তসাপেক্ষ যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে সম্মত

Read full story at source