লাশকাটা ঘরে আরও একবার

· Prothom Alo

নীড়ে ফেরা বাদুড়ের ঝাঁকে শুকতারা ঠিকানা হারায়
এ বড় কঠিন কাল, হিম ঝরে মধ্যরাতে বিছানায়
শিশু হিসু ক’রে পাশ ফেরে, নারী শোনে
পরাবাস্তব কড়ানাড়া
থেমে গেছে দূরের কাড়া-নাকাড়া।

শিয়ালেরা বনগহিনে, মহিনের ঘোড়া জ্যোৎস্নায়
নারী চুপিচুপি দরজা খোলে সোঁদা বালিশে
ঘুমে অচেতন শিশু।
যাওয়া যাক ঘাটের দিকে, জংলায় বেতালা জোনাকিরা।
জুনিপোকা নিভে আসে, পরি ডেকে যায় ঘোরে
চলি গো মা চলি, সায়োনারা
গুপ্ত ডায়েরি পুড়ছে, সব পুড়ছে, নদীকূলে গন্ধক ওড়ে
এক লহমায় ফিকে স্মৃতিগুলো ছাই,
ধোঁয়াশা জমছে সহসাই
দোতারার তার ছিঁড়ে গেছে
কাঁদছে গুরু-গুর্বীরা, হাহুতাশে, আরকের ঘোরে
চিঠিগুলো পোড়ে নদীকূলে, পোড়ে প্রাচীন ডায়রি
এক লহমায় হারানো স্মৃতিরা ধূলি কিংবা ছাই
বঙ্গনারী জানে না জাপানি হারাকিরি
তবে খুব জানে দোতারার তার ছিঁড়ে গেলে
মিথ্যা হয়ে যায় কত না ফকিরি।
অন্ধকারের গুপ্ত উদ্যানে গেলে দ্যাখে পোড়া মোম
চাই দুধ, শিশু বোঝে কেবলই ক্ষুধা
ওরা জেগে গেছে, খোকা বোঝে না সোহম
জলে ভেসে সমস্ত দিন, সন্ধ্যায় লাশকাটা ঘরে
শুয়ে আছে নারী।
এইখানে শুয়ে ছিল কবি সেই কবে
দ্যাখো, এই ঘরে ঝুলে ছিল সে। এই ঘরে
এখন মৃত নারীকে ঘিরে ডোমেদের আলোছায়া নড়ে

কেউ একজন ছুরিতে আয়োডিন ঢেলে যুগের মন্ত্র পড়ে।

Visit mchezo.co.za for more information.

Read full story at source