রাশিয়ার অর্থনৈতিক স্থাপনায় হামলা চালিয়ে নিজেদের সর্বনাশ ডেকে এনেছে ইউক্রেন: পুতিন
· Prothom Alo

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, রাশিয়ার অর্থনৈতিক স্থাপনাগুলোয় হামলা চালিয়ে ইউক্রেন নিজেদের সর্বনাশ ডেকে এনেছে। এর প্রতিশোধ হিসেবে ইউক্রেনের সবচেয়ে সংবেদনশীল অর্থনৈতিক খাতে পাল্টা হামলা চালানো হবে। গতকাল শনিবার তাঁর এ মন্তব্য প্রকাশিত হয়।
চলতি গ্রীষ্মে রাশিয়ার অর্থনৈতিক অবকাঠামোয় ড্রোন হামলা জোরদার করেছে ইউক্রেন। এসব হামলার লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে রয়েছে তেল শোধনাগার ও অনলাইনে পণ্য বিক্রির প্রতিষ্ঠানগুলোর গুদাম। এসব খাত থেকে আসা অর্থ রাশিয়াকে যুদ্ধের ব্যয় মেটাতে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা করছে। অর্থনৈতিক স্থাপনাগুলোয় হামলা চালিয়ে রাশিয়ার যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা ধ্বংস করে দিতে চায় কিয়েভ। অবশ্য ইতিমধ্যে এসব হামলার জবাব দিয়েছে রাশিয়া।
Visit newssport.cv for more information.
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের এক সাংবাদিককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পুতিন বলেন, ‘কিয়েভ আমাদের অর্থনীতির ক্ষতি করতে চেয়েছিল। কিন্তু এতে তারা নিজেরাই এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি করেছে, যার পরিণতি তাদের ভোগ করতে হবে। এখন তাদের সবচেয়ে সংবেদনশীল অর্থনৈতিক খাতে হামলার মুখোমুখি হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।’
এর আগে কৃষ্ণসাগর দিয়ে শস্য রপ্তানি নিরাপদ রাখতে রাশিয়া ও ইউক্রেন একটি চুক্তি করেছিল। তুরস্কের মধ্যস্থতায় ২০২২ সালে করা ওই চুক্তির মাধ্যমে ইউক্রেনের শস্য রপ্তানির পথ নিরাপদ রাখার ব্যবস্থা হয়। তবে ২০২৩ সালে রাশিয়া চুক্তিটি থেকে সরে আসে।
ইউক্রেনের অর্থনৈতিক স্থাপনায় হামলার কারণে দেশটির কৃষিপণ্য রপ্তানি বাধাগ্রস্ত হয়েছে। তবে এর ফলে বিশ্ববাজারে খাদ্যসংকট তৈরি হবে না বলে দাবি করেছেন পুতিন। তাঁর ভাষ্য, ইউক্রেনের শস্য রপ্তানির ঘাটতি রাশিয়া পূরণ করতে পারবে।
পুতিন বলেন, ‘আমাদের পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে কিছু সমস্যা হচ্ছে। তবে আমরা এসব সমস্যা সমাধান করব। ফলে বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের ঘাটতি হবে না।’
এর আগে কৃষ্ণসাগর দিয়ে বিশ্ববাজারে শস্য রপ্তানি নিরাপদ রাখতে রাশিয়া ও ইউক্রেন একটি চুক্তি করেছিল। তুরস্কের মধ্যস্থতায় ২০২২ সালে করা এ চুক্তির মাধ্যমে ইউক্রেনের শস্য রপ্তানির পথ নিরাপদ রাখার ব্যবস্থা হয়। তবে ২০২৩ সালে রাশিয়া চুক্তিটি থেকে সরে আসে।
ভ্লাদিমির পুতিন, রুশ প্রেসিডেন্টকিয়েভ আমাদের অর্থনীতির ক্ষতি করতে চেয়েছিল। কিন্তু এতে তারা নিজেরাই এমন একটি পরিস্থিতি তৈরি করেছে, যার পরিণতি তাদের ভোগ করতে হবে। এখন তাদের সবচেয়ে সংবেদনশীল অর্থনৈতিক খাতে হামলার মুখোমুখি হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।পুতিন আবারও বলেছেন, ইউক্রেনের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় বসতে রাশিয়া প্রস্তুত। তবে এ ক্ষেত্রে তাঁর শর্ত, আলোচনায় যুদ্ধক্ষেত্রের বর্তমান পরিস্থিতিকে ভিত্তি হিসেবে মেনে নিতে হবে। অর্থাৎ রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা ইউক্রেনীয় এলাকাগুলোকে মস্কোর ভূখণ্ড হিসেবে মেনে নিতে হবে।
রাশিয়ার সবচেয়ে ধনী নারীর ব্যবসায়িক সাম্রাজ্য কেন ধ্বংস করে দিতে চায় ইউক্রেনরাশিয়ার রাজধানী মস্কোর কোলেদিনোতে ইউক্রেনের ড্রোন হামলার পর অনলাইন কেনাকাটার প্ল্যাটফর্ম ওয়াইল্ডবেরিজের একটি গুদাম থেকে ধোঁয়া উঠছে। ১৬ আগস্ট ২০২৬ইউক্রেন মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যেসব প্রস্তাব দিয়েছে, সেগুলো ‘অবাস্তব’ ও ‘অদ্ভুত’ বলেও মন্তব্য করেন পুতিন। তিনি বলেন, এসব প্রস্তাবের ভিত্তিতে নয়, বরং যুদ্ধক্ষেত্রের বর্তমান বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই শান্তি আলোচনা হতে হবে।
যুদ্ধের আঁচ টের পাচ্ছেন রুশরা, পেট্রলপাম্পে জ্বালানির জন্য দীর্ঘ সারি