মিরাজের আঙুলে চার উইকেট, শরীরে ‘নাগিন ড্যান্সে’র তাল
· Prothom Alo

মেহেদী হাসান মিরাজের সময়টা যেন স্বপ্নের মতো কাটছে! মাঠে একের পর এক উইকেট নেওয়া আর নাগিন ড্যান্সে উদ্যাপন—এভাবেই কেটে যাচ্ছে তাঁর সময়।
গত পরশু ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (সিপিএল) অভিষেক ম্যাচেই নিয়েছিলেন ৩ উইকেট। আজ পরের ম্যাচেই বাংলাদেশি এই অফ স্পিনার নিলেন ৪ উইকেট। দারুণ বোলিংয়ে ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্সকে জিতিয়ে হয়েছেন ম্যাচসেরাও।
Visit rouesnews.click for more information.
মিরাজের উইকেটগুলোও বেশ বড় নাম—কলিন মানরো, নিকোলাস পুরান, উরি গোলি ও সুনীল নারাইন। গোলিকে বাদ দিলে বাকি তিনজনকে চেনার কথা। টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটে তিনজনই যে কত বড় ম্যাচ উইনার, সেটাও নিশ্চয়ই জানা।
প্রভিডেন্সে নাইট রাইডার্সের ওপেনার মানরো শুরুটাও করেছিলেন দারুণ। মিরাজের বলে ব্যক্তিগত ২৬ রানে বোল্ড হওয়ার আগে ৪.৪ ওভারে দলকে এনে দেন ৪১ রান। একই ওভারে পুরানকেও বোল্ড করেন মিরাজ, তাঁর খেলা প্রথম বলেই। নিজের প্রথম ওভারে মিরাজ দেন মাত্র ৩ রান, আর সেই ওভারেই তুলে নেন মানরো ও পুরানের উইকেট।
মিরাজ পরের দুটি উইকেট পেয়েছেন নিজের তৃতীয় ও চতুর্থ ওভারে। মজার ব্যাপার, চার ব্যাটসম্যানকেই বোল্ড করেন। নাগিন ড্যান্সে উদ্যাপনও করেন মিরাজ। গত ম্যাচে ৫ উইকেট নেওয়া ইমরান তাহির আজ নেন ১ উইকেট, পেসার শামার জোসেফ নেন ২টি। ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১২৬ রান তুলতে পারে নাইট রাইডার্স।
এই রান তাড়া করতে গায়ানাকে কম ঘাম ঝরাতে হয়নি। মিরাজ ব্যাট হাতে ব্যর্থ, ১৪ বলে ২ রানে আউট হন। শেষ পর্যন্ত শাই হোপের অপরাজিত ৪২ রানের ইনিংসে ৮ বল হাতে রেখে ৬ উইকেটের জয় পায় মিরাজের গায়ানা।
পয়েন্ট তালিকায় মিরাজের দল গায়ানা সবার ওপরে। ৯ ম্যাচে ৮ জয়ে তাদের পয়েন্ট ১৬। আজকের ম্যাচের আগেই প্লে-অফ নিশ্চিত করেছে দলটি।
পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে নিজের বোলিং নিয়ে কথা বলেন মিরাজ। কীভাবে সফলতা পাচ্ছেন, সেই ব্যাখ্যায় বলেন, ‘আমার জন্য দারুণ একটি মুহূর্ত। সিপিএলে এবারই প্রথমবার খেলতে এসেছি। আজ সত্যিই খুব উপভোগ করেছি। আমি শুধু চেষ্টা করেছি সঠিক জায়গায় বল করতে এবং উইকেট নেওয়ার চেষ্টা করতে। জানতাম, উইকেট একটু টার্ন করছে এবং স্পিনারদের জন্য সহায়তা ছিল। তাই আমি স্টাম্প লক্ষ্য করে বল করার দিকে মনোযোগ দিয়েছি, আর সুযোগটাও এসেছে।’